April 8, 2026, 5:17 am

সংবাদ শিরোনাম
নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল

সাবেক অস্ট্রেলিয়ান স্পিনার ইয়ার্ডলি আর নেই

সাবেক অস্ট্রেলিয়ান স্পিনার ইয়ার্ডলি আর নেই

mostbet

ডিটেকটিভ স্পোর্টস ডেস্ক

 

ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের লড়াইয়ে হার মানলেন ব্রুস ইয়ার্ডলি। বুধবার ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলের শহর কুনানারা ডিস্ট্রিক্ট হাসপাতালে ৭১ বছর বয়সে মারা গেছেন সাবেক এই অস্ট্রেলিয়ান অফ স্পিনার।

১৯৭৮ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩৩টি টেস্ট খেলেছিলেন ইয়ার্ডলি। উইকেট নিয়েছিলেন ১২৬টি। ৭ ওয়ানডে খেলে উইকেট ৭টি।

ক্রিকেট জীবনের শুরুতে ছিলেন পেসার। পরে মন দেন স্পিনে। তবে পেসার ছিলেন বলেই কিনা, স্পিনেও তার রান আপ ছিল বেশ লম্বা। খানিকটা কোনাকুনি দৌড়ে বল করতেন হাই আর্ম অ্যাকশনে। টার্ন ও বাড়তি বাউন্স ছিল তার মূল শক্তি।

ভারতের বিপক্ষে অ্যাডিলেডে ৪ উইকেট নিয়ে শুরু হয়েছিল ইয়ার্ডলির টেস্ট ক্যারিয়ার। সেরা সময় ছিল ১৯৮১-৮২ অস্ট্রেলিয়ান মৌসুম। পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৬ টেস্টে নিয়েছিলেন ৩৮ উইকেট। ওই মৌসুমেই সিডনিতে ক্লাইভ লয়েডের শক্তিশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে ম্যাচে নিয়েছিলেন ১০ উইকেট।

খারাপ ছিল না তার ব্যাটের হাতও। টেস্টে ফিফটি করেছিলেন চারটি। ১৯৭৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস ব্যাটারির বিপক্ষে বারবাডোজে ফিফটি করেছিলেন ২৯ বলে, যা অস্ট্রেলিয়ার দ্রুততম টেস্ট ফিফটির রেকর্ড হয়ে ছিল প্রায় ৩৯ বছর।

১৯৮৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ক্যান্ডি টেস্টে ৭ উইকেট নেওয়ার পরও আস্থা হারান নির্বাচকদের। পরে আর টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি। ১৯৮৫ সালে বিদায় জানান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলে গেছেন আরও বছর পাঁচেক।

খেলা ছাড়ার পর নাম লেখান কোচিংয়ে। অস্ট্রেলিয়ায় বিভিন্ন ক্লাব দলকে কোচিং করিয়ে ১৯৯৬ সালে দায়িত্ব নেন শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের কোচ হিসেবে। ছিলেন ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত। মুত্তিয়া মুরালিধরনের বোলিং অ্যাকশন বিতর্কের দিনগুলোয় এই লঙ্কান অফ স্পিনারকে তিনি সমর্থন দিয়েছেন প্রবলভাবে। কোচিং ছাড়া বিভিন্ন সময় ধারাভাষ্যও করেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে।

কোচিংয়ের দিনগুলোতেই চোখের সমস্যায় একপর্যায়ে হারাতে হয়েছিল বাঁ চোখ। পরে শরীরে বাসা বাঁধে ক্যান্সার। অনেক লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত সেটিই কেড়ে নিল তার জীবন।

 

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর